আলো আলোয় পবিত্র ভাবনা

 

সন্ধ্যার স্রোত-জল,
সোনা-রোদের কথা ভুলিয়ে দেয়,
যে রোদ শিশিরের ঘুম ভাঙ্গিয়েছিল
বিষণ্ণ-সুখ-রাতের কথা ভুলিয়ে,
হেসে হেসে সবাইকে জাগিয়ে
দুর্বলের ভীরু অন্তরে স্বপ্ন-বীজ বুনেছিল,
খুলে দিয়েছিল আবির্ভাবের উজ্জ্বল বাসনা
স্তিমিত চোখের সামনে;

জেগে ওঠা দেশী রোদ্দুর জানান দেয় কাব্য কথায়
অসীম আলোকময় পবিত্র ভাবনার।

এই দেখ, নিয়ে এসেছি শরত-শুভ্রতা
এক চিমটি পেঁজা-তুলো-মেঘ,
নিদ্রালু চোখে বেঁচে থাকার মায়া মুকুল পরমায়ু
ক্লেদ মুক্ত সিনানে;

এবারের আলোক সন্ধ্যা
আমাদের পৌঁছে দেবে সমুদ্র পাড়ের মুক্তি-বন্দরে।

ছবি নেটের।

34টি মন্তব্য

  1. সত্যিই বলেছেন সন্ধ্যার জলস্রোত রোদের সোনালীতা ভুলিয়ে দেয়। মনকে সঙ্গী করে স্রোতের ছন্দযুুক্ত শব্দে।
    ভাল লাগলো কবিতাটি।
    শুভ কামনা রইলো।

  2. সন্ধ্যার স্রোত-জল,
    সোনা-রোদের কথা ভুলিয়ে দেয়,
    যে রোদ শিশিরের ঘুম ভাঙ্গিয়েছিল
    বিষণ্ণ-সুখ-রাতের কথা ভুলিয়ে,
    হেসে হেসে সবাইকে জাগিয়ে
    দুর্বলের ভীরু অন্তরে স্বপ্ন-বীজ বুনেছিল,
    খুলে দিয়েছিল আবির্ভাবের উজ্জ্বল বাসনা
    স্তিমিত চোখের সামনে;

    অনিন্দ্য স্বপ্ন বুনন, মুগ্ধতা অপরিসীম ভাইজান।

    1. দেখুন কবি সাব, মাথা-মুথা আউলা না হলে কেউ এগুলান ল্যাহে!!
      এখানে লেখক ফজর নামাজের ডাকের অপেক্ষা করছে!!”অসীম আলোকময় পবিত্র ভাবনার”
      হা হা হা !!

  3. নিশ্চয়ই কোন জাহাজ বা জলযানে বসে লেখা কবিতা এটা। তাইতো সন্ধ্যার জলস্রোত এবং আলোকিত সন্ধ্যা অবলোকন করতে পেরেছেন। সেই সাথে স্বপ্ন বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষাও রয়েছে।

      1. দুর্বলের ভীরু অন্তরে স্বপ্ন-বীজ বুনেছিল,***
        খোদা প্রেমের কথা বলেছি।রাগ করলেন বোধহয়। পড়তে ভালো লাগে। বুঝি কম। ভুল হলে সরি!!!

      2. রাগিনি/রাগ করি না,
        পাঠকের স্বধীনতা আছে নিজের মত করে ভাবার।
        পড়ার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ, আমরা সবাই ই কম বেশী অবুঝ!!
        ব্যাপার না কোন! ধন্যবাদ দিচ্ছি।

  4. প্রার্থনা, অপেক্ষার উছিলায় চমৎকার একটি পবিত্র কবিতা পড়লাম।
    জেগে ওঠা দেশী রোদ্দুর জানান দেয় কাব্য কথায়
    অসীম আলোকময় পবিত্র ভাবনার- চমৎকার, অসাধারণ লাগলো। শুভ কামনা অহর্নিশি

    1. পবিত্র কি না জানিনা, তবে প্রাথর্না অবশ্যই আছে,
      এক দম নিজেদের স্বকীয়তা নিয়েই ভাবতে চেয়েছি।
      আপনি এত দেরি করেও এসে পড়লে হবে !!
      ভাল থাকুন কবিতাদের সাথে।

  5. আপনার কবিতায় নতুন নতুন শব্দ পাই। শব্দের লোভ আমার বরাবর।
    মোটামুটি সবার মন্তব্য পড়ে ভাবার্থ বুঝতে পেরেছি। যদিও আমি আমার মতো করে সবসময়ই বোঝার চেষ্টা করি।
    আল্লাহ পাক যদি আমাদেরকে ক্লেদ ভোলার ক্ষমতা না দিতেন তাহলে হয়তো কেউই সুস্থ থাকতে পারতামনা।
    আর ফজরের নামাজের মতো তৃপ্তি আর কোন নামাজে হয়না।
    ভোরের আযানের ধ্বনি ও খুব সুমধুর হয়। যদিও শোনার সৌভাগ্য খুব কমই হয়।
    খুব সুন্দর সুখপাঠ্য হয়েছে কবিতা।

    1. আসলে শব্দ কিন্তু নুতন-না, আপনার পাশ-পাশেই আছে/থাকে, আপনি হয়ত একটু কম খেয়ালে নিচ্ছেন।
      বড়রা বলে, এক লাইন লিখতে হলে এক শ লাইন পড়তে হয়, আমি বলি দেড় দু’শ লাইন পড়লে আধ/একলাইন
      লেখা এমনিতেই বাই প্রোডাক্ট হিসাবে চলে আসে, নিজের প্রয়োজনে প্রভূত/প্রচুর পড়াশোনায় বিচরণ করতেই হয়,
      শব্দের সাথে দেখা হলে কুড়িয়ে নেই কিছুটা। আমি নিজে কিন্তু শব্দ-লোভা , ভীষণ।
      আসলে যে যার নিজের মত ভাববে, এটি ই স্বাভাবিক।
      আজান আমার খুব প্রিয়, বিশেষত ভোরের, তাঁর দয়ায় শুনতে পারছি বহু বছর ধরেই।
      আল্লাহ আমাদের সবার সহায় হবেন তা কামনায় রাখি।

      1. একদম ঠিক বলেছেন পড়ার কোন বিকল্প নেই।
        একজন লেখককে ভালো পাঠক হওয়া ভীষণ জরুরি।
        আপনার মতো গুণিজনের পরামর্শ নিশ্চয়ই অনুসরণ করবো ইনশাআল্লাহ।

  6. অপেক্ষায় আছি,আলোক সন্ধ্যা কবে
    আমাদের পৌঁছে দেবে সমুদ্র পাড়ের মুক্তি-বন্দরে?,
    কবে আবার বাঁধাহীনভাবে সমুদ্রের পানিতে স্নান করব????ভালো লাগল, শুভকামনা।

  7. ভোরের আড়মোড়া ভেঙে উঠে সকালের মিষ্টি রোদ্দুরে ডাকে সাড়া দেওয়া সত্যিই ভীষণ কঠিন। তবে নিদ্রালু চোখ ঘুমের মায়া কাটিয়ে সোনালী রোদ্দুরের স্পর্শে অস্থির অশান্ত মন ভীষণ প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।

  8. সারাদিনের ক্লান্তি শেষে সন্ধ্যা যেন নিয়ে আসে ক্ষনিকের শান্তি। সন্ধ্যা আমারও খুব প্রিয়। মনে হয় একটি দিন শেষ হয়ে গেল। সামনে আবার নতুন দিন আসছে তার জন্য নিতে হবে প্রস্তুতি।

    ভালো থাকুন ভাইজান

মন্তব্য করুন