কলমী ঈশ্বর (মহারাজ সমীপে)

  অবশেষে শেষের কবিতাও শুরুতেই সান্ধ্যব্রত মাগে – পথের সন্যাস পথ ভোলে কুহেলী কুয়াশা মেখে, দায় ঠেলে মুখ ফেরাতে চায় আলোকের পানে – অদ্ভুত ব্রত ভুলি বলে সব অসতী আলেয়ার খেল অনির্বাণ- তোমার মাস্তুলের নিশানা কি আজ হেরফের । তোমার পদযাত্রা পথের ধূলিতে হবে ম্রিয়মান- এ আমার বোধগম্য নয়, অগ্ন্যুৎপাত বন্ধ হতে পারে তবে অগ্নি [বিস্তারিত কলমী ঈশ্বর (মহারাজ সমীপে)]

রং কল !

মোবাইল ফোন পার্স্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অশেষ আশীর্বাদের অন্যতম একটি। বর্তমানে মোবাইল স্মার্টফোনে ইন্টারনেট এবং বিভিন্ন এপসের সংযুক্তির কারণে তা দেশে বিদেশে ভিডিও কল সহ নানাবিধ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের যোগাযোগ এবং তথ্য প্রবাহের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করেছে এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।  আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের মানুষেরা মধ্য-প্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কর্মরত এবং [বিস্তারিত রং কল !]

মুক্তো খুঁজে নেয়া

শোরগোল/নিস্তব্ধতা বাঁচিয়ে একাকীত্বকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলবো হাত-স্পর্শের উষ্ণ নিঃশ্বাসে, ভাবি, অনিচ্ছুক দাসের রূগ্ণ/দুরন্ত/সাহসী হৃদয়-বিস্তারে; নেশার মত অনিদ্রারা দেবদূত নয়, দূরাভাষি/দূরসন্ধানী কুহেলিরা কুয়াশা ছুঁড়ে দেয়, রুপোর শিমুল তুলো ভেবে তুলে নিতে গিয়ে দেখি একরাশ নিষ্প্রাণ ফুলের অক্ষর। পরিব্রাজক হয়ে অরণ্য-পথে অজস্র পায়ে পায়ে হেঁটে যেতে যেতে খুঁজি তৃষ্ণা-জলের খনি, অসতী আলোয় পথ হারিয়েছি, বুঝেও অযথা [বিস্তারিত মুক্তো খুঁজে নেয়া]

তদবির !

  কিছুদিন আগে এক সকালে আন্দরকিল্লায় একটি প্রাইভেট ব্যাংকে গিয়েছিলাম।  একজন বাহক একটি চেক নিয়ে এসেছেন।  উক্ত চেক প্রদানের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জনৈক কর্মকর্তা বড় অংকের চেক বিধায় তা ক্যাশ কাউন্টারে বলে দিয়েছিলেন বাহককে টাকা প্রদানের জন্য। পরবর্তীতে ব্যাংক কর্মকর্তা একাউন্টে প্রবেশ করে দেখেন যে গ্রাহকের স্বাক্ষর মিলছে না। অপরদিকে বাহক টাকা ছাড়া কাউন্টার [বিস্তারিত তদবির !]

চিঠি দিও প্রতিদিন, চিঠি দিও!

  বিজ্ঞানের অভিনব অগ্রযাত্রায় তথ্য প্রবাহের প্রযুক্তিগত উন্নতিতে দিন দিন মানুষের যোগাযোগ সহজ থেকে সহজতর হয়ে উঠছে । দেশ বিশ্ব যেন হাতের মুটোয় চলে আসছে ক্রমশ । আর মানুষের জীবন থেকে সুখ দুঃখের সাত কাহনের লেখা চিঠি, চিঠির আদান প্রদান অনেকটা বিলুপ্ত হতে চলেছে । সেই নব্বই দশকের গোড়ার দিকে পর্যন্ত চিঠির আদান প্রদান ছিল [বিস্তারিত চিঠি দিও প্রতিদিন, চিঠি দিও!]

চলো ঈশ্বরের ঘুম ভাঙ্গাই

আমাজানের দক্ষিণ বাহু ছুঁয়ে দারিদ্রের যে রেখাটা চলে গেছে ইউরোপের সুউচ্চ সুরক্ষা দেয়াল পর্যন্ত তার সূত্রপাত যেন কোথায় হয়েছিলো ? প্রাচ্যের কঙ্কালসার মানুষের প্রতিচ্ছবি এঁকে ওরা ভুলুণ্ঠিত করেছে দক্ষিণ-পূর্বের যাবতীয় রত্নাধার এখানে দারিদ্র্যতাকে বলা হয় অভুক্তের অর্ণামেন্ট  উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে আমরা জ্বলতে দেখেছি  মহাভারতের আনাচে কানাচে অসংখ্য প্রোজ্জল নক্ষত্র,  নেতাজী সুভাষ বসুর অখন্ড বাঙলায় আমরা‌ [বিস্তারিত চলো ঈশ্বরের ঘুম ভাঙ্গাই]

কোথাও যাচ্ছি না

  আমাকে বসিয়ে রেখে, আর কোথাও যেতে ইচ্ছে করছে-না, যাচ্ছি-ও-না, যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব? আশ-কথায় পাশ-কথায় চাতুর্যের বাজ ফেলে ঝাঁ ঝাঁ রোদ্দুরে যেতে তো পারি-ই; পারি না? পারি তো, যাই-ও; বাঁকা-নয়ন খাড়া-কানের হাতছানি, ঝিরঝিরে ফিন ফিনে বাতাসে হাসির রোদ ফুটিয়ে; মনোময় চোখ রাঙা ভজন-সাধন, ফন্দি ফিকির অমরাবতীর স্বর্গ-ভোগ ফসল-বিলাসী চাঁদের হাট, জলে-নদীদের পুনর্জন্মের বাদ [বিস্তারিত কোথাও যাচ্ছি না]

পারিবারিক বন্ধন আলগা নয় সুদৃঢ় করি !

মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি মানুষ। মানুষের মধ্যে রয়েছে প্রেম প্রীতি, স্নেহ, মায়া, মমতা, শ্রদ্ধা ভালোবাসা। রয়েছে সুখে দুঃখে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর মতো মমত্ববোধ, দায়িত্ববোধ। তাঁদের হৃদয়ে বসবাস করছে নৈতিক, মানবিক গুণাবলী এবং ধর্মীয় আবেগ ও অনুভূতি। পার্স্পরিক সৌহার্দ্য ভ্রাতৃত্বের অনন্য সুন্দর মেল-বন্ধনে গড়ে উঠেছে পরিবার সমাজ আর দেশ। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সমাজে [বিস্তারিত পারিবারিক বন্ধন আলগা নয় সুদৃঢ় করি !]

মায়া ও একটি দুশ্চিন্তার গোধূলি

নীলাভ আলোর ঝলকানিতে গোধূলি রঙিন-  আমার বিমুক্ত বুকের জমিনে স্যাঁৎস্যাতে শৈবালের চাষ পাথুরে দেয়ালে বাজে ঠক-ঠক এই অবেলায়  অস্তমিত সূর্য্যের ঈষৎ আলোয় – উড়ে যায় বুনো বালিহাঁস । নীলাকাশ সমুদ্রের ছাউনী হয়ে নেমে গেছে দূরের দিগন্তে উত্তাল ঢেউয়ের খেলায় মেতেছে যে বুক, পানকৌড়ির ডানায় ভর করে স্বপ্ন উড়ে যায়- ডুবে যায়; ক্ষণে ক্ষণে, আবছায়া আলোয় [বিস্তারিত মায়া ও একটি দুশ্চিন্তার গোধূলি]

নির্ঘুম শব্দেরা

  পথ চলতে চলতে নামি নামি সন্ধ্যায়, জল প্রপাতের শব্দে থমকে গেলাম, শীষ দেয়া উড়াল পাখি, গাছের চূড়ায় ভেসে থাকা সরু চাঁদ; শতচ্ছিন্ন দিগন্তে আকাশের ফাঁদে আটকে পড়া উজ্জ্বল শরৎ মেঘের দীর্ঘশ্বাস; এই বুঝি অঝোরে কেঁদে ফেলবে। শরতের উষ্ণ শাসনের প্রমত্ত একঘেয়েমিতে স্বপ্ন পরাভব লুকিয়ে ফেলে প্রস্থান করি এ-বেলায়; ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অন্তহীন সময়ের প্রান্ত [বিস্তারিত নির্ঘুম শব্দেরা]

সভ্যতায় অস্তিত্বের লড়াইয়ে মানুষ (তৃতীয় পর্ব)

ধরিত্রীর বুকে প্রথম পদধূলি দেয়া সেই আদিম মানুষটির নিজের অস্তিত্বের টিকে থাকার লড়াইয়ের মতই কামনাবাসনার এই খেলাই সকল সভ্যতায় আমাদের অস্তিত্বকেও টিকিয়ে রেখেছে আদিঅন্ত। সভ্যতার বিকাশে আমরা আমাদের আদিম রিপুকে দমন করতে শিখতে পারিনি। পূর্বেও কেউ পারেনি আগত ভবিষ্যতেও কেউ পারবেনা। কারণ যেদিন মানুষের আদিম প্রবৃত্তি বন্ধ হয়ে যাবে সেদিনই সভ্যতার বিকাশও স্তব্ধ হয়ে যাবে। [বিস্তারিত সভ্যতায় অস্তিত্বের লড়াইয়ে মানুষ (তৃতীয় পর্ব)]

অপলক চোখ

  নির্ভয় নির্ভারে বিস্মৃতিবিহীনতায় আনন্দ-বৃষ্টির মত যতক্ষণ খুশি, সুখ সুখ স্মৃতি, স্বপ্ন স্মৃতিতে নেচে চলা ছন্দের মত, মন্থন রোমন্থনে বসন্ত সুখের মত লেগে লেপ্টে থাকে, চুম্বনের কম্পনে। সীমাহীন দৈর্ঘ্যের অন্তকালে ঠাসা রক্ত-হৃদয়ের যন্ত্রণা; নাক মুখ চোখ ঠেলে রক্তঝরা বেদনা, ইচ্ছে করেও ভুলে থাকা যায় না, ভাব গম্ভীরের মুখোশ এঁটে-ও; পিছলে পড়া, পিছলে যাওয়া কবিতাগুলো সত্যির [বিস্তারিত অপলক চোখ]

আমার সারাটা দিন

সকাল- সকালে ঘুম থেকে উঠলাম প্রতিদিনের মতো। সৃষ্টিকর্তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে গেলাম রান্না ঘরে। নাস্তা বানাবো, নাস্তায় গতকালের মেন্যু কি ছিলো মনে করতে পারছিলাম না। ইদানীং এই একটা সমস্যা হয়েছে, অনেক কিছু ভুলে যাই। ছোট কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলোও এখন মনে থাকে না। ভাবছি এখন থেকে খুটিনাটি বিষয় গুলো কোথাও লিখে রাখতে হবে। যাইহোক [বিস্তারিত আমার সারাটা দিন]

এ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে না দেয়া !

  আমাদের চলতি পথে প্রায়শ দেখা যায় রোগী পরিবহণকারী এ্যাম্বুলেন্সকে অন্যান্য গাড়িগুলো এগিয়ে যাওয়ার জন্য পথ করে দেয়না। কেউ সাইড দিতে চায়না। আমরা জানিনা ওখানে কে আছে ! সন্তান প্রসবা মা, অগ্নিদগ্ধ মানুষ, মুমূর্ষু বা মৃত্যুপথ যাত্রী রোগী।  নাকি বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি বা অতিমারি করোনা আক্রান্ত অক্সিজেনের ছটফট করা কোনো মানুষ। আমাদের কারো মনেই কেন [বিস্তারিত এ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে না দেয়া !]

মরণ কখন আসিবে জানি না।

শুন মুসলমান!  মৃত্যু তোমার নিশ্চিত,  কবর তোমার নিশ্চিত, এটা নিশ্চয় মানো! কবর কি খুব দূরে চোখ বন্ধ করে দেখুন। চোখের মনির ভিতরই আপনার কবর প্রস্তুত আপনাকে শোয়ানোর জন্য। বিশ্বাস হয় না,  আল্লাহকে। নাকের ও মুখ গহবর থেকে নিশ্বাস বন্ধ মাত্র দেরি, রেডি কবর। টাকা,  সম্পদ, ঘর বাড়ি বড় কথা, যাদের জন্য গড়ছেন অবৌধ্য সম্পদের পাহাড় [বিস্তারিত মরণ কখন আসিবে জানি না।]