অর্পিতা ১৪

ডাক্তার সাহেব অর্পিতা কেমন আছে? নাউ সি ইজ আউট অব ডেঞ্জার । যত বেশী ভেবে ছিলাম অত বেশী ইনজুরি হয়নি । তবে ডান হাতের আঘাত টা একটু গুরুতর ওখান থেকেই বেশী ব্লাডিং হয়েছে । এক ব্যাগ রক্ত দিতে পারলে ভাল হত । আমি রক্ত দেব । আপনার রক্তের গ্রুপ কি ? O- আমি সবাইকে রক্ত [বিস্তারিত অর্পিতা ১৪]

শেষ সৈনিক

শেষ সৈনিক টি তৃষ্ণায় খাখা বুক নিয়ে ক্যান্টিনটি উচুঁ করে ধরে। খটখটে ক্যান্টিন এক ফোটা …. দুফোটা জলবিন্দু গড়িয়ে দিয়ে নীরব হয়ে যায়। এম্বুশার রা এগিয়ে আসছে……. সংখ্যায় সাতের বেশী, খট করে বাড়ি খায় শুন্য চেম্বারে ফায়ারিং পিন। কোমড় থেকে টেনে নেয়া রিভলবারের চেম্বার থেকে একটা কার্তুজ খুলে নিয়ে, মুঠোয় পুরে পাশে পরে থাকা সদ্য [বিস্তারিত শেষ সৈনিক]

অর্পিতা ১৩

অর্পিতা রোড একসিডেন্ট করেছে । তুই দ্রুত যশোর সদরে চলে আয় । আমি এখনই আসছি । আধা ঘন্টা পর…….. মিলন অর্পিতা কই ? ইমারজেন্সিতে আছে ডাক্তার বলছিলেন রক্ত লাগতে পারে । যত রক্ত লাগে আমি দেব । তোর রক্তের গ্রুপ আর ওর টা পরিক্ষা না করলে বোঝা যাবে না যে তুই রক্ত দিতে পারবি কি [বিস্তারিত অর্পিতা ১৩]

প্লট

ডিরেক্টর অপু তার অ্যাসিস্ট্যান্ট শাওনকে বলল, “আজ তোমাকে প্লট বলব। তোমার স্ক্রিপ্ট লেখা কমপ্লিট হলেই কাজ শুরু করব। কলকাতার শিবকুমার অনেকদিন ধরেই চাচ্ছিলেন আমার সাথে কাজ করতে। এবারের ফিল্মটা কলকাতার শিল্পীদের নিয়েই করব।” “হুম, এটা ইন্দো-বাংলাদেশি ফিল্ম হবে?” “হুম” মাথা নাড়ল অপু। বলল, “Rebirthএর উপর।” “পুনর্জন্ম?” “হুম, ঐখানকার লোকজন এসব মাল ভালো খায়।” “বাণিজ্যিক ছবি?” [বিস্তারিত প্লট]

অর্পিতা ১২

জয় টেবিল ছেড়ে উঠে যাওয়ার সময় পিছন থেকে হঠাৎ একটা কোমল হাত তার বাহু ছুঁয়ে গেল । কোথায় যাচ্ছেন আমাকে একা রেখে? আপনি না বললেন ? আমার কথাটা পুরোটা তো আগে শুনুন পৃথিবীর সব ছেলে এক রকম কিন্তু আপনি পৃথিবীর সব ছেলের মত নন । আপনার সাথে আমার তিন মাস যোগাযোগ নেই । কিন্তু আমি [বিস্তারিত অর্পিতা ১২]

অর্পিতা ১১

কাকা তোর জন্য এই গিফট প্যাকেট টা পাঠিয়েছেন কি আছে ওটাতে? কাকা বলছিলেন তুই ওনার যে দুই কোটি টাকার বিলটা তৈরি করে দিয়েছিলি ওটা পাশ হয়ে গেছে কোন প্রকার লেস ছাড়াই । বলিস কি ঐ বিলটা একবারে এপ্রুভ হয়েছে!!! হু কাকা দেখলাম অনেক খুঁশি । তোর কথা বলছিল জয় কোথায় ? ও আমার ছেলের চেয়েও [বিস্তারিত অর্পিতা ১১]

অর্পিতা ১০

  মিলন অবাক চোখে দেখে জয় হঠাৎ করে এতটা পাল্টে যায় কিভাবে । খুব ভোরে ঘুম থেকে ওঠে, তারপর প্রাইভেট পড়ানো এরপর দ্রুত রেডি হয়ে ক্লাসে । আবার বিকালে আড্ডায় জয়কে পাওয়া যায় না । ক্লাস শেষে ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত কনষ্ট্রাকশন সাইটে । সেখান থেকে ফিরে রাতের খাবার খেয়েই । একটানা রাত বারটা পর্যন্ত [বিস্তারিত অর্পিতা ১০]

অর্পিতা ৯

কিছুতেই ঘুম আসছে না । মেয়েটার নাম অর্পিতা রাখা যথার্থ ই হয়েছে ওর উপরেই আজ সংসারের সব দায়িত্ব অর্পিত । ওর হাসির আড়ালে যে এত কষ্ট চাপা ছিল সেটা ওকে দেখে বুঝতে পারিনি । দু চোখের জল লুকিয়ে যে হাসতে পারে তার হাসিতে কোন কপটতা থাকতে পারে না । জীবনে প্রথম কাউকে একান্ত আপন ভাবতে [বিস্তারিত অর্পিতা ৯]

অর্পিতা : ৮

সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল বাবা পাত্র পক্ষ কে বললেন আর একটু খোঁজ খবর নিলে ভালো হত না? কি যে বলেন আপনি হলেন রাতুল বাবুর বাবা । আপনাদের মত এমন বংশের মেয়ে পাওয়া তো সৌভাগ্যের ব্যাপার । বাবা বললেন রাজু ওদের চলে যেতে বল , ওরা আমার নয় ঐ কুলাঙ্গারটার পরিচয়ে এখানে এসেছে । এরপর থেকে [বিস্তারিত অর্পিতা : ৮]

অর্পিতা ৭

দাদার ঘরে একজন অপরিচিত মহিলা দাদাকে উচ্চ স্বরে ঝাড়ি দিচ্ছে দাদা মাথা নিচু করে সব শুনছে । শোন এই চোর ছ্যাচরা দের সাথে তুমি থাকতে পার কিন্তু আমি পারব না । তোমাকে একদিন সময় দিলাম ভেবে চিন্তে ডিসিশন নাও । দুইটার মাঝে একটা তোমাকে বেছে নিতে হবে ।ওয়াসরুমের অবস্থা দেখ, বস্তির চেয়েও খারাপ । আমার [বিস্তারিত অর্পিতা ৭]

অর্পিতা ৬

হ্যালো জয় বলছেন ? হ্যাঁ আপনি কে বলছিলেন ? আমি অর্পিতা আপনি এত রাতে ? একটা ভাল খবর দেয়ার জন্য কতজন কেই না ফোন দিলাম কেউ রিসিভ করল না । এত রাতে ফোন রিসিভ না করাটাই স্বাভাবিক । তা অবশ্য ঠিক । তো এখন বলুন ভাল খবরটা কি ? ভাল খবরটা হল মায়ের জ্ঞান ফিরেছে [বিস্তারিত অর্পিতা ৬]

অর্পিতা ৫

হ্যালো দাদা মায়ের সিটি স্ক্যান রিপোর্ট চলে এসেছে । ডাক্তার বলেছেন রিপোর্ট ভাল খুব তারাতারি জ্ঞান চলে আসবে । আপনি সময় পেলে বিকালে আসবেন । রাখলাম । ঠিক আছে । বিকালে মিলন বলল চল তোর মাসিমাকে দেখে আসি । দুইজন একসাথে সদরে এলাম । অর্পিতা এবং রাজু তখন মাকে ঔষধ খাওয়াচ্ছিল । জ্ঞান না আসা [বিস্তারিত অর্পিতা ৫]

অতৃপ্ত জীবন….ভালবাসা ১২

ঈদ যে কারোর জন্য আনন্দের বার্তা বয়ে আনে।মমির জন্য আসছে ঈদের দিনটি ছিল বেদনা এবং আনন্দের মাঝা মাঝি।আর কয় দিন পরই ঈদুল ফিতর।সেই জন্য মার্কেটগুলোতে ঈদেরঁ কেনা কাটার দুম পড়েছে।মমি এবার তেমন কিছুই  ক্রয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে না হয়তো মনে আষাঢ়ের মেঘ জমেছে।আজ সারাক্ষণ শুধু একই ভাবনা কি কিনব কার জন্য কিনব যার জন্য কেনার কথা [বিস্তারিত অতৃপ্ত জীবন….ভালবাসা ১২]

জীবনের খরতাপ

চৈত্রের দুপুরের খরতাপ ছড়িয়ে পড়েছে সবর্ত্র। হাইওয়ের পীচ বরাবর তাকালে মনে হবে  রাস্তায় জমে রয়েছে পানি। বাজারের প্রতিটি মানুষের গায়ের জামা ঘামে ভিজে গেছে। স্বস্তি পাচ্ছেনা কেউ। তবুও জীবন থেমে থাকেনা, থাকার নয়। বাজারের এক জায়গায় একটা ছাতার নীচে বসে জুতা সেলাই করে চলেছে ১৫/১৬ বছরের একটা ছেলে। আনিস ওর নাম। একটু আগে ওদের স্কুলের [বিস্তারিত জীবনের খরতাপ]

অর্পিতা ৪

কিছু টাকা ধার দিতে পারবেন? ধরুন দশ হাজারের মত না মানে হ্যাঁ চেষ্টা করে দেখতে পারি কি ভাবছেন এতগুলো টাকা হঠাৎ কিভাবে জোগাড় করবেন? আমিও রাত থেকে এই সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কাজেই ব্যাস্ত ছিলাম মায়ের সিটি স্ক্যান সহ ঔষধ ডাক্তার মিলিয়ে বেশ কিছু টাকার দরকার ছিল ছিল ? মানে এখন নেই ? এখনও আছে কিন্তু [বিস্তারিত অর্পিতা ৪]