বর্নে গন্ধে ছন্দে গীতিতে হৃদয়ে দিয়েছ দোলা

শান্তা: চলো প্রবাল আজ দুরে কোথাও যাই প্রবাল: আচ্ছা চলো শান্তা: আমার সব কথায় তুমি আচ্ছা বলো কেন? প্রবাল: তো কি বলবো? শান্তা: মাঝে মাঝে প্রশ্ন করতে হয়, বুঝলে? প্রবাল: যেমন? শান্তা: এই যেমন বললাম চলো, তুমি জিজ্ঞেস করবে না কোথায় যাবো? প্রবাল: না জিজ্ঞেস করব না, তুমি কি আমায় ভালো না লাগার জায়গায় নিয়ে [বিস্তারিত বর্নে গন্ধে ছন্দে গীতিতে হৃদয়ে দিয়েছ দোলা]

ইরার ডাইরী- পর্ব-৩

ওসমানের কাছে সব শুনে ইরা কিছুক্ষণ বিষয়টা নিয়ে ভাবলো।তারপর বললো, : ওসমান, আমি আপনাদের বস্তিটা দেখতে যাবো,এমনকি আপনার বাড়িতেও যাবো। :বস্তিতে নিশ্চই যাবেন ম্যাম। তবে আমাদের এখন আর বাড়ি বলতে কিছুই নেই। আপাতত মামাবাড়িতে আছি। মামা বাড়ি গোড়ানের দিকে, যাবেন? : নাহ্, থাক। বস্তিটাই দেখা জরুরী। পরদিন সকালে অফিস যাবার আগে ওসমানকে সাথে নিয়ে সখীপুর [বিস্তারিত ইরার ডাইরী- পর্ব-৩]

একটি নীল শাড়ি।

    বিথী, আজ তোর কি একটু সময় হবে, কথা ছিল। ক্লাস শেষে বের হতে হতে শফিক কথাগুলো বলে বিথীকে। – কতক্ষণ? — এই ধর, ঘন্টা দুয়েক। – দুই ঘন্টা! এত সময় ধরে কি বলবি, কোন সিনেমার গল্প টল্প নাতো। — আরে না, সিনেমার গল্প টল্প না, এক জায়গায় একটু তোকে নিয়ে যাবো। – কোথায়? [বিস্তারিত একটি নীল শাড়ি।]

হযবরল

অনি হঠাৎ খেয়াল করলো এতোক্ষণ সে একাই কথা বলছে। রূপা একটাও কথা বলেনি।রূপার নিস্তব্ধ নিরবতা ভেঙ্গে দিয়ে অনি বলে উঠলো -কী রে রূপা, এমন নিশ্চুপ কেন? -অ্যাঁ -হতচকিয়ে গেলে মনে হলো! অনির এমন প্রশ্নবানে সত্যিই হতচকিত হয়ে উঠলো রূপা। য়ে়়়় -না,কিছু না। -কিছু না তো চুপ করে আছো কেন? আমি শুধু একাই বকবক করছি। রূপা [বিস্তারিত হযবরল]

ছোট্ট বেলায় মস্তিষ্কে গেঁথে যাওয়া শব্দ(অনির বউ)_১

ঘোর সন্ধ্যা। চারিদিকে নিয়নবাতির আলোর ঝলকানিতে ঝলমল করলেও ঘুটঘুটে অন্ধকারই মনে হলো রূপার। ঘোর সন্ধ্যায় কৃত্রিম আলোয় সজ্জিত স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের উপর দিয়ে পাশাপাশি হাঁটছে রূপা ও অনি। অনি কথা বলছে আর রূপা নিঃশব্দে হেঁটে চলেছে অনির সাথে সাথে। অনি কি বলছে তাতে রূপার বিন্দুমাত্র মনোযোগ নেই। রূপা ভাবছে যেনো সম্পূর্ণ অচেনা, অজানা মানুষ। আজই প্রথম [বিস্তারিত ছোট্ট বেলায় মস্তিষ্কে গেঁথে যাওয়া শব্দ(অনির বউ)_১]

এক মুঠো ভালোবাসা (৩০তম পর্ব)

অনিক ধীরে চোখ খুললো, কিন্তু চোখে প্রচন্ড আলোর ধাক্কা খেয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললো, সাথে সাথে ওর মুখের উপর বালতি ভর্তি পানির ঝাপটা খেয়ে মাথা ঘুরালো একদিকে, সাথে সাথে গুঁগিয়ে উঠলো ঘাড়ের ব্যাথায়। চোখ খোল ইউ বাস্টার্ড (ইংরেজিতে) বলে কেউ গালি দিয়ে উঠলো। অনিক ধীরেধীরে চোখ খুলে দেখতে চাইলো, মাথা কাজ করছেনা ওর, ও কোথায় [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩০তম পর্ব)]

স্মৃতির নদী

আজকাল স্মৃতি গুলো কেমন যেন বাস্তব হয়ে চোখের সামনে দেখে তারা দুজনেই। স্মৃতি এমনই উজ্জ্বল যে এসব রঙ্গিন হয়ে থ্রি ডি মুভির মত চলমান। অনেক স্মৃতি আছে তাদের একটি নদী কেন্দ্রিক। নদীটার মালিক যেন তারা দুজনে। একদিন শান্তা বায়না ধরেছিল ‘ আমাকে একটি নদী দাও। ‘ এ নদী সে নদী দেখতে দেখতে প্রবাল অন্য একদিন [বিস্তারিত স্মৃতির নদী]

উদ্বাস্তু জীবন

[১] আজ প্রচন্ড গরম পড়েছে। সাথে বাতাসহীন একটি রাত। চৈত্রের এইসব দিনগুলিতে রাত নামার সাথে সাথে তাপমাত্রা কমে আসতে থাকে। আজ তাপমাত্রা কমার কোন লক্ষণ নেই। রাতে যে ঠিক মত ঘুম হবে না তা বোঝাই যাচ্ছে। সুলেখা ভাঙা পাখা দিয়ে ক্রমাগত জোরে বাতাস করে চলেছে। বাতাস গায়ে লাগছে বলে মনে হচ্ছে না।গরমে দম বন্ধ হয়ে [বিস্তারিত উদ্বাস্তু জীবন]

প্রারব্ধ বা অবশ্যঘটনীয়

বারান্দার ঝুলানো বেতের চেয়ারে বসে ধীরে ধীরে দোল খাচ্ছে সান্তনু কায়সার। রোজ সন্ধ্যার পরে কিছুক্ষণ  এখানে বসে থাকা তাঁর অভ্যাস। আজও সন্ধ্যার পরেই বসলো। তবে প্রতিদিন যেভাবে রাত আটটার দিকে উঠে বারান্দা হতে ঘরে চলে আসে, আজ উঠলো না সে। কি সব ভাবনায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে। সেই বিদ্যালয় জীবন হতেই হাতের রেখার প্রতি তাঁর আগ্রহ। [বিস্তারিত প্রারব্ধ বা অবশ্যঘটনীয়]

এক মুঠো ভালোবাসা (২৯তম পর্ব)

সেলফোনে রিং হচ্ছে দেখে অনিক রিসিভ করে স্পীকার অন করে দিয়ে হ্যালো বললো। মি. অনিক, আপনাকে সাবধান করার পরও আপনি বেরুলেন কেন, সোহেল চৌধুরির উদ্বীগ্ন কণ্ঠে বললো। দেখুন আপনি আমাকে আর্মস দিয়েছেন, সাথে এও বলেছেন আপনারা সার্বক্ষণিক ভাবে আমাকে পাহাড়া দেবেন, তাহলে ভয় কিসের? ইউ আর ইম্পসিবল, বিরক্তির সাথে বললো সোহেল চৌধুরি, তা এখন কোথায় [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (২৯তম পর্ব)]

ইরার ডাইরী – পর্ব-২

ইরা দোটানায় পড়ে গেলো। সে একবার ভাবছে শফিক সত্যিই হয়ত বদলে গেছে। আরেকবার ভাবছে এসবই ভুল। কারণ এমন মানুষ কখনোই বদলায় না। তাছাড়া একটা সময় শফিকের মুখে এসব মিথ্যে প্রতিশ্রুতি শুনতে শুনতে সে ক্লান্ত হয়ে গেছিলো। তাই এখন আর এসব বিশ্বাস করতে মন চায় না। সে ভাবতে শুরু করলো দশ বছর আগের কথা। সদ্য এইচএসসি [বিস্তারিত ইরার ডাইরী – পর্ব-২]

সম্পর্কের টানাপোড়েন – শেষ পর্ব

প্রিয় আকাশ, আশা করি তুমি ভালো আছো, ভালো থাকবে তোমার একমাত্র ভালোবাসা ‘তন্বী’ কে নিয়ে। আমি পারিনি তোমাকে সুখী করতে , পারিনি তোমার ঔরসজাত সন্তান আমার জরায়ুতে ধারণ করতে, তোমাকে ‘বাবা’ ডাক উপহার দিতে। আমাকে ক্ষমা করো প্লিজ। তোমার ভালোবাসা আজ তোমার হাতের মুঠোয়, হয়তো এখানে ঈশ্বরের সমর্থন আছে বলেই এমনটি ঘটলো এতবছর পর। আমি [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন – শেষ পর্ব]

করোনার প্রাদুর্ভাবে দিনগুলিতে মাকে নিয়ে জরির ভাবনা

জোহরা সবসময় আচার আচরনে একজন চঞ্চল উচ্ছল প্রকৃতির মানুষ।শত দুঃখের মাঝে তার মুখে সর্বদা হাসি লেগে থাকে যেন।কোন দুঃখই তাকে মনে হয় সেভাবে স্পর্শ করতে পারে না।একসময় স্বামী সন্তান নিয়ে ভরা এক সংসার ছিলো তার।হাসি আনন্দ গান স্বপ্ন সোহাগ সবই ছিলো সেখানে।কোন কিছুর কমতি ছিলো না । যদিও প্রায় সব পরিবারের মতো ই শ্বাশুড়ীর সাথে [বিস্তারিত করোনার প্রাদুর্ভাবে দিনগুলিতে মাকে নিয়ে জরির ভাবনা]

ইরার ডাইরী – পর্ব-১

সবুজ ফোন করে খবর দিলো, ‘স্যার, কাজটা হয়ে গেছে।’ ‘হয়ে গেছে? ঠিকাছে, রাখো।’ শফিক সাহেব ড্রয়িং রুমের দিকে এগুলেন। বিশাল বড় ড্রয়িং রুমের একপাশে দামী সোফা শোভা পাচ্ছে, তার উল্টো দিকে দেয়ালে টাঙানো ঝকঝকে টিভি। রিমোটটা হাতে নিয়ে টিভিটা ছাড়লেন৷ একের পর এক বাংলাদেশী চ্যানেল ঘাটতে লাগলেন, কোনটাতে খবর হচ্ছে! কিন্তু এখন বাজে রাত একটা [বিস্তারিত ইরার ডাইরী – পর্ব-১]

সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-১০

আকাশ সিদ্ধান্ত নিলো সে তন্বীর কাছে ক্ষমা চাইবে। কিন্তু কিভাবে আগাবে বুঝতে পারছিলো না , যদি তন্বী রিএক্ট করে! একটা সুযোগ যখন বিধাতা দিলো ক্ষমা চাওয়ার , তাকে যেভাবেই হোক ক্ষমা চাইতেই হবে। এদিকে তন্বী দীনার প্রস্তাব গুলো নিয়ে ভাবছিলো। না সে দীনার কোনো সাহায্য নিবেনা। আর আকাশকে বিয়ে করাটা হবে একজন নারী হয়ে আরেকজন [বিস্তারিত সম্পর্কের টানাপোড়েন পর্ব-১০]