এই স্বপ্নের সিড়ি আমার নয় যখন ছিল তখন তুমি ছিলে না আজ তুমি আমার, হয়ত সে কারনেই স্বপ্ন গুলো সব তোমায় ঘিরে। বৃষ্টি ভেজা সেদিনের কথা জানি না আজ তোমার মনে পড়ে কি না ? তুমি বিশ্বাস কর আর না কর সেদিন আমার খুব হিংসে হচ্ছিল বৃষ্টির প্রতি, তুমি যখন দুহাত প্রসারিত করে স্পর্শ নিচ্ছিলে [বিস্তারিত চোখের জলের হয় না কোন রঙ]
ক্যাটাগরি কবিতা
জানি তুমি আসবে না ফিরে তবুও শুধু ভাবছি তোমায় নিয়ে । আমার মনের আকাশে বাদল গর্জে উঠে । আধার রাতে বসে আমি ভাবছি শুধু তোমায় । আধারের এই পথে আমি হেটে যাই । কিছুটা হারিয়ে আমি হয়তো তোমায় ফিরে পাই । জানি না কি তোমার স্বপ্ন কিন্তু আমার স্বপ্ন তুমি । কত আপন তুমি ছিলে [বিস্তারিত কোন অভিমানে]
আপন ভেবে গেলাম তোমায় তুমি ভাবলে পর …. তোমায় ভাবলাম ললনা তুমি করলে ছলনা !!!! বুঝলে না কে আপন কে তোমার পর …. শুধু আমায় বলে গেলে তুমি স্বার্থপর …. যদি হই আমি স্বার্থপর তাহলে পৃথিবীতে কেউ আপন নয় তোমার……. সবাই তোমার পর
মনের গ্রহীনে হৃদয়ের অরণ্যে রেখেছি তোমায় অতি যতনে । এ মনের কথা একটুও কি বুঝলে না তুমি?? তুমি আমার নাই বা হলে তাই বলে কি আমি তোমায় ভালবাসতেও পারব না । আমি তো বলিনি আমাকে ভালবাসতেই হবে তোমার, আমার সাথে জনম জনম থাকতে হবে তোমার । আমি শুধু চেয়ে ছিলাম একটু ভালবাসা তোমার কাছে । [বিস্তারিত স্বপ্নের রাজকন্যা]
শাশ্বতী সে এক শূন্যতা থেকে আগত শাশ্বতী; অশাশ্বত মনের অরণ্যে ঘনবনের ঐশ্বর্য নিয়ে আসায়, ক্ষণমূহর্তে পালিয়ে গেলো নিপাট একাকীত্ব! বিবদমান আস্তাকুরে অবকাশ ছিলোনা বিনির্মাণ পরিচ্ছন্নতার ভূতুড়ে নীরবতায় ঝরাপাতার সংগীত ছিলো দৃশ্যমান অবিরাম বিরহী দোলার! শাশ্বতীর সুর মূর্চ্ছনায় মনের গহীনে এখন ভালোবাসা একবুক, শাশ্বতীর সংস্পর্শে টেরই পেলাম না কখন নিপাত গেলো একাকীত্বের শোক! https://m.facebook.com/poet.salman?
কাফনে মোড়ানো স্মৃতির ঘানি এই ফাটা,এই খোঁচ,এই চিড় কোনদিনই আর জোড়া লাগবেনা ফিরে যাও ছলোছলো চোখে অযথা কেঁদোনা বুক ভেঙনা দয়ার ভালোবাসায়; করুণার কামলীলায় বুকের বামপাঁজরে আর আঘাত দিওনা,রক্তের শাখা প্রশাখায় হৃদয়ত্বের মূল থেকে উপড়ে ফেলেছি ভালবাসার সুতো দিয়ে গাঁথাতো দূর তোমার ঘৃণার চাবকও আমাকে আর ফেরাতে পারবেনা আমাতে! আমি আর আমার ধূসর বন্ধ্যা অন্ধকার [বিস্তারিত কাফনে মোড়ানো স্মৃতির ঘানি]
আমরা কোনোদিন প্রেমে পড়িনি একে অপরের- তবুও কি অমোঘ টান পরস্পরে ! ভালো-মন্দের ভাগাভাগি না হলে প্রাণ চলেনা । আমরা ছুঁতে চাইনি কখনো একে অপরকে তবুও, অস্পর্শের অটুট এক স্পর্শে জড়িয়ে রেখেছি অক্লান্ত নিজেদের, ছাড়াছাড়ি হলেই শ্বাসে শ্বাসে সংঘাত । আমরা ‘ভালোবাসি‘ বলিনি একবারো তারপরো এক আকাশ মমতা বুকে ধরে একে অপরের মুখে চেয়ে ভালো [বিস্তারিত আমরা –]
আজ মন আমার উদাসী হয়ে হাতছানি দিয়ে ডাকে তোমায়, সাক্ষী আছে কালো আকাশ নাম না জানা তাঁরা গুলো। তুমি সাড়া দিলে না ? জানি শত ডাকলেও সাড়া দেবে না। কোন সে অপরাধে আমায় ছেড়ে চলে গেল?? জানি না আমি। সব বাঁধন ছিড়ে চলে গেলে তোমার সুখের কাছে আর আমাকে নিঃস্ব করে রেখে গেলে। আমিতো চেয়ে [বিস্তারিত উদাসী মন খুঁজে তোমাকে]
মহা রাতের ঘাতক আধাঁর এভিনিউর মোড়ে মার্বেল খেলার ছলে কেটে গিয়েছিলো আমার নাবালক প্রভাত কুচকুচে সাদা ইউনিফর্মপড়া এক কিশোরীর এক্কা দোক্কা খেলা দেখার ছলে মন্ত্রমুগ্ধের মত পেরিয়ে ছিলাম উদাস দুপুর! অস্তাচলা গোধূলীর বয়স্ক বিকেলের শেষ গানে সুর মিলাতে মিলাতে কেটে গেলো আমার বিকেল! এখন অধৈর্য্যর ঘোর অন্ধকার বন্ধ হয়ে আসছে সব খুলা দ্বার দোকানির বাকী [বিস্তারিত মহা রাতের ঘাতক আধাঁর]
সমুদ্র আমায় ডাক দিয়েছে আয় রে তুই আয় সেই ডাকেতে আমিও খুশি জলদি দিলাম সায়। মুগ্ধ আমি নয়ন জোড়ায় দেখে, সুন্দরীর হাতছানি বিশাল সমুদ্র একা আমি, এ যে মনের মানহানী! চট্রগ্রামের পানি লাগেনি তো ভালো বরিশালের মেয়েরা আমার দু’চোখ করলো আলো। ভয়ে ভয়ে উঠেছিলাম লঞ্চে, ছিল এক বন্ধুর পরার্মশ ও মোর মনু, হেই তো [বিস্তারিত সুন্দরীর টানে মন]
আমার কলম চলে না , থেমে থেমে যায় , সময়ের সাথে সাথে মনের রঙও দিব্ব্যি উড়ে যায় কর্পূরের মতো । ধূসর বাতাস বয়ে নিয়ে বেড়ায় মরুভূমির অভিশাপ , তবুও হাসি মুখে বলে যায় , এইতো ভালো আছি । ধ্বংসযজ্ঞের সূচনা, একেবারে নাকে এসে ঠেকেছে বারুদের গন্ধ , সকলের পরিমিতিবোধ যেন শুন্যের কোঠায় । নাসারন্ধ্রে ছিপি [বিস্তারিত আমি , আমরা]
আজন্ম লালিত হে স্বপ্ন বাংলার, হে ভালোবাসা, সাধের স্বাধীনতা আমার তোমাকে যারা ক্রুরতা ও অন্ধকারের তীব্র রাইফেলে ক্ষত-বিক্ষত করে মানচিত্রে তোমার ছুটিয়েছে রক্তফোয়ারা, রোপণ করেছে হিংসার নির্দয় বধ্যভূমি যন্ত্রণার তীব্র কার্তুজে ডানে-বামে-উত্তরে-দক্ষিণে, রোপণ করেছে পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইলের আটষট্টি হাজার গ্রাম ব্যেপে- অশনাক্ত সেইসব লাশের ছিন্নভিন্ন দেহ, হাত বাঁধা, চোখ বাঁধা চিত্রনাট্য কিংবা নেড়ি কুত্তার পৈশাচিকতায় [বিস্তারিত দাঁড়িয়ে যাও !]
মমতা দিদি রাগ করেছেন তিস্তার পানি নিয়ে ৪৮% দিতেও উনার পিত্তি যাচ্ছে জ্বলে। মুখে বলে আমরা বাঙাল, শুধু মাঝখানে সৈনিকের ঢেরা অন্তরে আমাদের ভালবাসেন, কিন্তু উঠাবেন না মনের বেড়া! আসার কথা তোমার দিদি নতুন বার্তা নিয়ে খাওয়াবো ইলিশ, পরাবো জামদানি ইচ্ছে ছিল মনে আমরা চাষা, মজুর স্বাধীন করেছি দেশ ভুলিনি, তোমরা করেছিলে সহায়তা বেশ। দিদি [বিস্তারিত জেনে রেখো দিদি, আমরাও বাঙাল সহজে হবো না জব্দ]
ব্যস্ত নাগরিক জীবনে- প্রেম, স্নেহ, ভালবাসা অশ্রুজলে শুধু ভাসা গেছে সব বহু দূরে স্মৃতি থেকে হারিয়ে ব্যস্ত নাগরিক জীবনে । তবু প্রেম আসে শরীরে, ক্ষণিকের রতিসুখে আবেগের জোয়ারে যেমনটি যায় দেখা খাজুরোর দেওয়ালে দেবমূতি পড়ে ঢাকা মিথুনের বাহারে ব্যস্ত নাগরিক জীবনে ।
অর্ষা-, রুপোলী নারীশ্বরী আমার টেনে নিলে আমায়- তাঁর মধুময় চাকের কাছে গোলাপি অধরের সতৃষ্ণ তৃষ্ণায়, কেঁপে ওঠে স্নিগ্ধ মনভুমি । উষ্ণ স্তনযুগলে কিঞ্চিৎ- ভালোবাসা আঁকার সুতীব্র বাসনায় হৃদ স্পন্দন এতটাই বেড়ে যায় যেন চিরকালীন অস্তসূর্যে সমস্ত পৃথিবী তখন নিথর হলেও বিবসনা সৌন্দর্যের বৈভবে বোধহয় পাবোনা কিছুই টের ! লিপস্টিক রাঙ্গানো ওষ্ঠাধরে ওষ্ঠাধর রেখে লালসার ক্রুর [বিস্তারিত নারীর নিভৃত নীড়ে…(ভাঁজের কবিতা)]