সংশয়

কোন আশা নেই , ভালোবাসা নেই – হিসেবের খাতায় কোন চাওয়া নেই , উচ্চাশা নেই – সুখেরই আশায় নাজিফাহ বিশ্বাস করবে কিনা জানিনা এ আমার মন গড়া কোন কথা নয় । মেহেদী রাঙ্গানো হাত নিয়ে দেখবো – হাসবে কবে এই ঘর আমারই ? তুমি যে আমারই , এক প্রেম জুয়াড়ি ফেরারি অপ্সরী , প্রিয় স্বপ্ননারী [বিস্তারিত সংশয়]

“যুদ্ধ-নছিরণ আর আমি” যশোরের আঞ্চলিক ভাষায় একটি কবিতা(অডিও সহ)

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের হৃদয় বিদারক একটি দৃশ্য ফুটে উঠেছে যশোরের আঞ্চলিক এই কবিতার মধ্য দিয়ে। কবির নাম জানা নেই ।অনুরোধ রাখছি কারো জানা থাকলে জানাবেন। শিরোণামঃ যুদ্ধ-নছিরণ আর আমি। আবৃত্তিকারঃ দেবব্রত ঘোষ। জুদ্দই যাবার সুমায় নছিরণরে পাজাড়ে ধরে কয়ে গিলাম, ফিরে আসে ওরে আমি ঘরে নেব। জুদ্দর ফাএ ফাএ আমি ওরে দেখতাম, বুহির মদ্যি মাজে মাজে [বিস্তারিত “যুদ্ধ-নছিরণ আর আমি” যশোরের আঞ্চলিক ভাষায় একটি কবিতা(অডিও সহ)]

আরাধনা

আমার এ আঁধার ঘেরা জগত, দুঃস্বপ্নের জালে বোনা। অবচেতন মনে ধূসর মেঘের ক্যানভাসে, ধোয়াটে কল্পনা ফুটিয়ে তোলার- অব্যর্থ চেষ্টা।   মাঝে মাঝে, ক্ষণিকের জন্য, শুভ্র মেঘের স্পর্শ পাওয়ার- ব্যর্থ আরাধনা। হয়তো বা স্বপ্ন খুঁজতে চেয়ে, ক্ষণিক এর তরে- আলোয় হারানোর চেষ্টা।   দুঃস্বপ্নের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলা। আশা-নিরাশার মাঝে- দ্বিধা নিয়ে বসে থাকা।   কখনও [বিস্তারিত আরাধনা]

পঙতি

বিমুর্ত প্রহরে খুঁজে ফিরি বীভৎস গদ্যের তৎসম বিন্যাস ধাপের পরে ধাপ, অপেক্ষার আড়ালে অপেক্ষা হিস্টিরিয়া গ্রস্থ বাক্যেরা বশ মানতে নারাজ, আমার আঙুলে ষোড়শী তৃষ্ণা অভিধানের স্তন ঘাটতে থাকা তীক্ষ্ণ নখর পুরদস্তুর আদিম পুরুষ, বিধ্বস্ত সাহিত্যের আর্তঃচিৎকার, অতঃপর সাগর সঙ্গম। আজ আমি জন্ম দিব পঙতি নামক বুক বিলাস।

আজও পঙক্তিঘোরের খোঁজে …

বাতাসে শারদীয়া উতসবের গন্ধের সঙ্গেই এসে মিশেছে জ্বিলহজ্ব মাসের পবিত্র হজ্বব্রতের “লাব্বায়িক আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক” ধ্বনিও। আজ সৌদিতে ছাব্বিশ লক্ষের বেশি মুসলমান আল্লাহ-র রহমতের নেয়ামত হিসেবে এককাতারে দাঁড়িয়ে ঈদ-উল-আজহা-র নামাজ শেষে কুরবাণীর ফরজ আদায়ে শুকরিয়া আদায় করে হজ্বব্রতের শিক্ষা নিয়েই যে যার গন্তব্যে ফিরে যাবেন। তাঁরা সেথায় আল্লাহ-র কুরআনের নির্দেশ অভিন্নভাবে মেনেছেন। মীনায় প্রতীকি প্রস্তর ছুঁড়েছেন [বিস্তারিত আজও পঙক্তিঘোরের খোঁজে …]

নাজিফাহ ও আতাহারের চিঠি ১

প্রিয় নাজিফাহ , বাতাসকে কানে কানে বলেছি “উড়ালিয়া”হয়ে উড়িয়ে নিতে তোমার অভিমান । নক্ষত্রকে ডেকেছি , অভিমানের দরজা যেন তাদের “ স্টোর রুমে “ বন্দী করে গায় বিজয়ের গান । নাজিফাহ , ইচ্ছে হলেই ছুঁতে পারি তোমার সব অভিমান বাধার দেয়াল টপকে গড়বো নতুন কোন অভিধান । ইতি আতাহার । ২. জবাবে নাজিফাহ প্রিয় আতাহার – [বিস্তারিত নাজিফাহ ও আতাহারের চিঠি ১]

ঈদ আনন্দ

ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি ঈদ এলে আমরা সবাই প্রাণ খুলে হাসি। ঈদ এর দিনে স্বাধীন মোরা নেই যে কোন বাঁধা যদিও খোদা পৃথিবীকে বানিয়েছ তুমি, কঠিন গোলক ধাঁধাঁ। জানি আমি আসবে মোদের ঈদ তুমি যাবে তুমি নেই যে কোন বাঁধা তবুও বলি ঈদ তুমি ছেড়ে মোদের, চলে যেও না। ————–সীমা সারমিন————-

দিন বাড়তেছে, সে হাজার বছরের পুরানো দিন

মকবুল মন্তুর মাকে বিচার দিয়েছে। সে নাকি টুনিকে ডিস্টাব করে। আপর দিকে আম্বিয়া টুনিকে বলে দিয়েছে সে যেন মন্তুর পিছনে না ঘুরে। মন্তুর বয়স ২৫। পড়ে একটা পাবলিক ভার্সিটিতে। টিউশনি করে তার পড়ার খরচ জোগায়। আর টুনি তার দুই বেচ জুনিয়ার। টুনি মুকবুলের বিয়ে করা স্ত্রী। সকলের ধারনা টুনির বিয়ের আগে মন্তুর সাথে প্রেম ছিল। [বিস্তারিত দিন বাড়তেছে, সে হাজার বছরের পুরানো দিন]

দুঃখগুলো বুকের নাগরিক

আতাহার অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে । প্রায় এক ঘণ্টা চল্লিশ মিনিটের উপর । নাজিফাহর জন্য আতাহারের অপেক্ষার রেকর্ড চারঘন্টা তেরো মিনিট । কখনো এবারের মতো অস্থির লাগেনি । তার কলেজ ছুটি একটায় । দুইটা চল্লিশ বেজে গেছে । এখনো সে বাসায় আসেনি । বিপদে পরল না তো ? নাকি জ্যামে ? কে জানে !   [বিস্তারিত দুঃখগুলো বুকের নাগরিক]

নিবারণ হতে চাই

মহাজন ব্যাস্ত ছিলেন, আমি উদ্ভাস্তু সাম্পানের মাস্তুলে অবাক দাঁড়কাক বলাকার পালকে আশটে ভালোলাগা, গলুই তে বসে নিবারণ বলে চলছিল- “তুই কইলে মরণ গিলুম সিনায় সিনায় পিরিত সখি না মরলে পিরিত ঝুটা” ছন্দহীন গান নাকি এ তার জীবন অনির্বাণ ? আমি নিবারণ হতে চাই একটা দিনের জন্যে তোমরা আমাকে নিবারণ হতে দাও।

নাজিফাহ ও সত্যবদ্ধ অভিমান

আমার প্রেমান্ধ ধ্যানে … তুমি ট্র্যাফিক আইল্যান্ড নাজিফাহ যৌবন তাড়িত কামনায় কোন সাবালিকাকে ইভটিজিং নামের যৌন প্ররোচনা দিতে গেলে ট্র্যাফিক পুলিসের মত জরিমানা গুনতে হয় আমাকে তোমার জন্য যেখানেই যাই হাত দেখিয়ে বলে দাও জাগিয়ে দাও বিবেক তীক্ষতায় তোমার সুনিপুনতায় , রন্দ্রে রন্দ্রে আমি ভদ্র হয়ে উঠি । অজোপাড়া গাঁ হাতে নেবার মতো ঘুড়ি নাটাই [বিস্তারিত নাজিফাহ ও সত্যবদ্ধ অভিমান]

শব্দ বিভ্রাট

——— তিলোত্তমা নগরীর নিষিদ্ধ বাঁকে আজ আমি শব্দ ফেরিওয়ালা বিভাজিত গ্রামায়নের আলপথ বুকে কবি হতে চেয়েছিলাম অগোছাল নিউরন ধরতে পারেনি ভালবাসা ও আবেগের প্রভেদ আভিধানিক শব্দ বানিজ্যে ভরে ওঠেনি কামুক মন। বল কি চাই ? সলতে পোড়া রোমাঞ্চে লাজুক বধূর মৃন্ময় হাসি, শাণ বাঁধানো উঠোনের কোনে ঢেঁকি পেষা উন্মাদনা, সভ্য, অসভ্য বা আদিসভ্য ভালবাসার আধুনিক [বিস্তারিত শব্দ বিভ্রাট]

জননী

নাজিয়ার ভোর সকালে ঘুম ভেঙ্গেছে । আকাশ তখনো আলোকিত হয়নি । সুবহে সাদিক কি হয়েছে ? আকাশ অন্ধকারের চাঁদরে ঢাকা । তিনি বুঝতে পারছেন না । তাঁর পিপাসা হচ্ছে । তিনি ভয়ের স্বপ্ন দেখেছেন , এখন কি করবেন বুঝতে পারছেন না । ফজরের আজান হচ্ছে , তিনি নামাজ পড়লেন । নামাজ পড়ার পর তিনি হৃদয়ে [বিস্তারিত জননী]

চেনা-অচেনা

যদি বল এবারই শেষবার, আর ভুল হবে না, আর ছেঁড়ে যাবে না কখনও। ফিরে আসবে ? কেন ? আমি তো চাই না তোমাকে আর। আমার যে স্বপ্নের ডানা ভেঙ্গে দিয়েছ, সেই স্বপ্ন তো আর দেখি না। আর ভাবি না সে ইচ্ছে গুলো নিয়ে, যে ইচ্ছে গুলো ধীরে ধীরে- খুব বেশি সতর্কতার সাথে, একটার পর একটা [বিস্তারিত চেনা-অচেনা]

বাবুর ঢাকাশহর দেখা

বাবুর ঢাকাশহর দেখা পর্ব—এক বাবু এবার ৫ম শ্রেণীর পিএসসি(PSCE—Primary School Complettion Exammination ) পরীক্ষা দেবে। ও গ্রামের একটা স্কুলে পড়াশুনা করে।গ্রীষ্মের ছুটিতে ওর মামা ওকে ঢাকাতে কাটাবার জন্য বলেছে। বাবুও অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে গ্রীষ্মের ছুটির। ওহ ঢাকার চিড়িয়াখানা, সংসদ ভবন, জাতীয় যাদুঘর, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সোহরাদ্দি উদ্যান, লালবাগের কেল্লা……………।। শাহবাগ চত্বর। ২১ শের [বিস্তারিত বাবুর ঢাকাশহর দেখা]